#Quote
More Quotes by Ahmed Sharif
চলন্ত জীবনে অগ্রসর মানেই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আর সামনের দিকে গেলেই জায়গা ও সময়কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হয়। অর্থাৎ পুরাতনকে ত্যাগ ও আধুনিককে স্বীকারের নামই হলো ক্রমোন্নতি। আর সকলেই জানে অগ্রগতিই জীবন ও ষষ্ঠীতে প্রাণত্যাগ। আর এগিয়ে যাওয়া মানেই প্রকৃতিগত অগ্রসরণ। প্রাচীন হচ্ছে বিগত, আর অভিনব মানেই হলো ভবিষ্যতের নিদর্শন।
সমস্ত ধরনের খুন করা নিঃসন্দেহে খুবই নিন্দনীয়। কিন্তু ধর্মের নামে, বর্ণের নামে, গোত্রের নামে, সাম্প্রদায়ের নামে মানুষকে খুন করা সবচেয়ে ঘৃণিত।
পড়াশুনায় জ্ঞান বৃদ্ধি হয়, স্বভাব গঠিত হয় না। পুঁথিগত পাঠের প্রভাব বিষয় মূলক কাজের নিপুণতা, হৃদয় ও মানসিক অবস্থার চালিকা শক্তি নয়। পুঁথিগত জ্ঞান যেন জলের মতো পাতলা পদার্থ, যে ভাণ্ডারে নিবিষ্ট হয়ে থাকে, সেই ভাণ্ডারেই আকৃতি পায়, অথবা তা সুলেমানি আংটির মনিবের উদ্দেশ্য পূরণের সাহায্যকারী মাত্র। ব্যক্তিগণ পুঁথিগত বিদ্যার আজ্ঞাবহ হয় না, বিদ্যাকে আজ্ঞাবহ করে বিশেষ লক্ষ বা উদ্দেশ্য সম্পাদনের কাজে লাগায়। এই তরেই জ্ঞান শক্তিমত্তা রীতি নয়।
চিন্তা ভাবনা থেকেই বৈজ্ঞানিক যাথার্থ্যতার আবিষ্কার। সেই কারণে মানব জীবনে অনুমানের ভূমিকা সীমাহীন।
মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে যেমন সামাজিক, তেমনি রাষ্ট্রিক জীবনেও মানুষের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার মতো খাঁটি সম্পদ, সার্থক সঞ্চয়, অক্ষয় পুঁজি ও নির্ভরযোগ্য পাথেয় আর কিছুই নেই। এই প্রীতির পরিচর্যা ও শুভেচ্ছার অনুশীলনই মানুষকে মানববাদী করে। দেশে দেশে মানবতাবাদীরা সংখ্যাগুরু হয়ে না উঠলে আজকে মানবিক সমস্যার সমাধান অসম্ভব।
এই বর্তমান যুগে নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া খুবই কঠিন। কারণ নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ মানুষেরা এই সমাজে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে পরিচিতি লাভ করে থাকে।
আইনের যদি নিজের শাসনটাই প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে মানুষ দেশের আইনের উপর বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা উভয় হারিয়ে ফেলবে।
ভালোবাসা অথবা যন্ত্রণা, প্রলোভন অথবা পরহিংসা, রাগ অথবা সহনশীলতা, মার্জনা অথবা প্রতিশোধ, বিশ্বস্ততা অথবা কৃতকার্যতা, সমস্তই জীবন্ত কামনা-আকাঙ্খা, কার্যকলাপ ও প্রতিক্রিয়া দেশ বা অঞ্চল ভেদে আলাদা কিন্তু হয় না। মানুষে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মাত্রার পার্থক্য হয় কেবল।
নিষ্ঠাহীন আস্তিক হচ্ছে মক্কর ও মোনাফিক। তার থেকে নৈতিক জীবনসমূহ ক্ষতি হয়, কিন্তু নাস্তিকেরা সাধারণত বিবেকবান, বুদ্ধিজীবী, যুক্তিবাদী, কল্যাণকামী ও নৈতিক সাহসে ঋদ্ধ। এজন্য নাস্তিক থেকে নৈতিক বা বৈসয়িক ক্ষতির কোন আশঙ্কা থাকে না।
যে সমস্ত দেশ বা সমাজে গুণীজনদের অগ্রহ বা সমমান করা হয় না, সে দেশ বা সমাজেতে কিন্তু বেশি গুণীব্যাক্তির জন্মই বিশেষত হতে পারে না।