#Quote
More Quotes by Jasimuddin
এদিকে দিগন্তে যতদূর চাহি, পাংশু মেঘের জাল পায়ে জড়াইয়া পথে দাড়ায়েছে, আজিকার মহাকাল।
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর - জসীমউদ্দীন
শিশুদের মতো বৃদ্ধ লোকদের দেহেও এক সুন্দর শোভা বিস্তার করে। কত বৃদ্ধের মধ্যে সেই শোভা দর্শন করিয়া মুগ্ধ হই।
আমাদের দেশের লোকেরা যেমন ভুত, প্রেত, ওঝা পীর ও ফকিরে বিশ্বাস করে তেমনি হোমিওপ্যাথিক ঔষধে বিশ্বাস করে - জসীমউদ্দিন
সে মোরে দিয়েছে বিষ ভরা বান, আমি দেই তারে বুক ভরা গান।
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক। এখানে ওখানে তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
যে মোরে করিল পথের বিবাগী; পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি।
আজিকার এই অভাবভরা নিরানন্দ দেশের সঙ্গে নানা কুসংস্কার পূর্ণ ধনধান্যে আনন্দগানে ভরা দেশকে আমি সহজেই বিনিময় করিতে পারিলে আনন্দে নাচিয়া উঠিতাম।
গত ওহাবি আন্দোলনে যখন দেশের মাওলানারা এদেশ হইতে ইংরেজ তাড়ানো অসম্ভব জানিলেন, তখন তাঁহারা দেশের অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত গুণী ব্যক্তিদের উপর যে অমানুষিক অত্যাচার করিয়াছিলেন তাহার ফলে আজ আমাদের সমাজে বড় সাহিত্যিক নাই; বড় চিত্রশিল্পী নাই- বড় সুরশিল্পী নাই। আমাদের মুসলিম সমাজে এই অনাচার আর কতদিন চলিবে?
যুক্তি ছাড়িয়া যেখানেই কেহ শক্তির দম্ভে অপরকে নত করিয়ে যায়, সাময়িক ভাবে ইহাতে কিছুটা সাফল্য দেখা গেলেও সে সাফল্য শুধু বালুর উপরে লেখন লেখা, অল্প দিনেই মুছিয়া যায়।