More Quotes
আজন্ম মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে কবি করে তুলেছে মানুষের কাছে এওতো আমার এক ধরনের ঋণ। এমনই কপাল আমার অপরিশোধ্য এই ঋণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। - হেলাল হাফিজ
নিজের মাঝে থাকো, নিজের কাছে যা কিছু আছে তা নিয়ে খুশি থাকো, অন্য মানুষের দিকে তাকাতে নেই, তাহলে কষ্ট পাবে।
আবার অন্যদিকে এমন অত্যুক্তিও করা চলে না যে কবি ও যোগী এক ও অভিজ্ঞ কাব্যরচনা ও যোগ-সাধনায় পার্থক্য নেই, কবির তবুও হল বাঙ্ময় জগৎ এবং সেটি মানসলোকের অন্তর্ভুক্ত। কবির যে অন্তরাত্মার জ্যোতি তা এই বাঙ্ময় মানসলোককে ভাস্বর, অধ্যাত্মপ্রবণ করে তোলে।
কবিরা বাঙলায় বস্তিতে থাকে, সিনেমার সুদর্শন গর্দভেরা থাকে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত প্রাসাদে।
নিজেকে ভালো রাখার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হল অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা এবং কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা না করা।
প্রত্যাশার বাইরেই ছিল ব্যাপারটি। রোজকার মতোই টেবিল ঘেঁষে পুরোনো চেয়ারে আরামে ছিলাম বসে, ঘড়িতে তখন আমি কি না-লেখা কোনও কবিতার পঙ্‌ক্তি মনে-মনে সৃজনে ছিলাম মগ্ন? একটি কি দুটি শব্দ হয়তো-বা ভেসে উঠছিল আমার মানস-হ্রদে। আচমকা চোখে পড়ে ঘরে একটি প্রজাপতির চঞ্চলতা।
প্রতিটি ফুলের পাপড়িতে লেখা থাকে প্রকৃতির কবিতা ফুলকে কখনও থামানো যায় না, যত কাঁটা থাকুক না কেন।
আমরা প্রায় সময় কাউকে ভালোবেসে, নিজেকে বিলিয়ে দেই অথচ উচিত ছিল অন্য কাউকে নিজের জন্য গড়ে তোলা।
কৃষ্ণচূড়া ফুল তুমি কবে ফুটবে? তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখব বলে হাজারো কবি বসে আছে নদীর ধারে। তাদের কলমের কালি যে শুকিয়ে যাচ্ছে পাতা যাচ্ছে ফুরিয়ে। সর্বোপরি দিন যাচ্ছে গড়িয়ে।
অধ্যাপক, দাঁত নেই—চোখে তার অক্ষম পিঁচুটি; বেতন হাজার টাকা মাসে—আর হাজার দেড়েক পাওয়া যায় মৃত সব কবিদের মাংস কৃমি খুঁটি; যদিও সে সব কবি ক্ষুধা প্রেম আগুনের সেঁক চেয়েছিলো—হাঙরের ঢেউয়ে খেয়েছিলো লুটোপুটি - জীবনানন্দ দাশ