#Quote
More Quotes
মানুষ যদি কবরের আযাব বুঝতো আর পরকাল নিয়ে ভাবতো তাহলে দুনিয়ার সম্পদ নিয়ে নয়! নেকী আর নেক আমল নিয়ে প্রতিযোগিতা করতো।
যারা মিথ্যা কথা বলে, তারা শয়তানের অনুসারী। মুসলমান কখনো মিথ্যাবাদী হতে পারে না।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: “মৃত্যু এসে গেলে কবরের জীবন শুরু হয়।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন: “কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভালো কাজ করতে হবে।
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর ছুটে চলা চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে।
হজরত সালমান ফারসি (রা.) বলেন: “কবরের তলায় যা ঘটে, তা মানুষকে আল্লাহর নিকট ফিরিয়ে আনে।
একজন খেলোয়াড় সম্পর্কে আমি সর্বোচ্চ যে মূল্যায়নটি করতে পারি তা হলো তার চোখের দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করতে পারি সে কতটা ভয়ানক। আর আমি মনে করি সেটাই সেরা মূল্যায়ন।
শাস্তি ও সান্ত্বনা: কবরের শাস্তি এবং বরকত সম্পর্কে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ভালো কাজ করবে, তার কবর প্রশস্ত হবে এবং সে সেখানে শান্তি পাবে।
অহংকার এবং হিংসা হলো শয়তানের একটি বৈশিষ্ট্য যা মানুষকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করে।
বুনো জানোয়ারের চেয়ে একজন ছদ্মবেশী এবং দুষ্ট বন্ধু আরও ভয়ানক ; কোনও বুনো জন্তু আপনার দেহকে ক্ষতবিক্ষত করতে পারে, কিন্তু দুষ্ট বন্ধু তোমার মনের ক্ষতি করবে।