#Quote

কলিযুগ নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের অবনতির পাশাপাশি ধার্মিকতার পতন এবং অধার্মিকতার বৃদ্ধি দ্বারাও চিহ্নিত।

Facebook
Twitter
More Quotes
সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০: “হে মুমিনগণ! সুদ খাওয়ার অব্যাহত রাখো না যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহর বিধি মানো এবং আল্লাহর নিকট থেকে ধৈর্য সহকারে মাফ চাইতে থাকো।
কলিযুগে মানুষ খরা ও অত্যধিক করের কবলে পরে মানুষের খাদ্যের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠবে গাছের পাতা, মূল, মাংস, মধু, ফল, ফুল, বীজ। খরায় মানবজাতি ক্রমাগত ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।
কলিযুগের কেষ্টদের থেকে সাবধান থাকা জরুরি, তাদের মনে তোমার জন্য প্রেম থাকে না, থাকে শুধু লালসা।
কৃষ্ণের লীলা বড়ই মনমোহক ভক্ত কত জোটে , কলির কেষ্ট করলে লীলা লোকে ধরে পেটে ।
তোমরা উত্তম নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন হও। নিঃসন্দেহে উত্তম চরিত্রের প্রতিদান জান্নাত — সূরা আল-মায়িদাহ: ৯৩
কতায় শক্তি, বিভাজনে পতন। — ঈশপ
কলিযুগে মানুষজন স্বার্থবাদী, সহানুভূতি দেখানো তো দুরের কথা, বরং স্বার্থ ফুরালেই মানুষ মানুষকে আর চিনবে না।
কৃষ্ণের যদি হয় অনেক সখী এদের কেন নয় ! এরা যে ভাই কলির কেষ্ট তা ভুললে কি হয় !
নামি প্রতিষ্ঠানের চেয়েভালো পরিবেশ আর নৈতিক শিক্ষা অনেক বড়।
রাত বাড়ার সাথে সাথে মন খারাপ, পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে।