#Quote

পড়াশুনায় জ্ঞান বৃদ্ধি হয়, স্বভাব গঠিত হয় না। পুঁথিগত পাঠের প্রভাব বিষয় মূলক কাজের নিপুণতা, হৃদয় ও মানসিক অবস্থার চালিকা শক্তি নয়। পুঁথিগত জ্ঞান যেন জলের মতো পাতলা পদার্থ, যে ভাণ্ডারে নিবিষ্ট হয়ে থাকে, সেই ভাণ্ডারেই আকৃতি পায়, অথবা তা সুলেমানি আংটির মনিবের উদ্দেশ্য পূরণের সাহায্যকারী মাত্র। ব্যক্তিগণ পুঁথিগত বিদ্যার আজ্ঞাবহ হয় না, বিদ্যাকে আজ্ঞাবহ করে বিশেষ লক্ষ বা উদ্দেশ্য সম্পাদনের কাজে লাগায়। এই তরেই জ্ঞান শক্তিমত্তা রীতি নয়।

Facebook
Twitter
More Quotes by Ahmed Sharif
ধর্ম মানুষের উদ্ভবনী শক্তির একটি বিস্ময়কর আবিষ্করণ। ধর্ম মানুষের আত্মার উথলে ওঠার ভাব, বাসনার উচ্ছৃঙ্খলতা, স্পৃহার অজেয়, ব্যাবহারের নিয়ন্ত্রণহীনতা, ভাবনার স্বতন্ত্রতা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণার বহুবর্ণময়, নানান এক নিয়ম অনুযায়ী ধাপে চালিয়ে নিয়ে গিয়ে যন্ত্র-বিশারদ ক্ষেত্রতত্ত্বতে সীমাবদ্ধ রাখে।
আইনের যদি নিজের শাসনটাই প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে মানুষ দেশের আইনের উপর বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা উভয় হারিয়ে ফেলবে।
চিন্তা ভাবনা থেকেই বৈজ্ঞানিক যাথার্থ্যতার আবিষ্কার। সেই কারণে মানব জীবনে অনুমানের ভূমিকা সীমাহীন।
পিতা ও পিতামহাদিদের অঢেল ধন-সম্পত্তির আস্ফালন বর্তমানের ভিক্ষাজীবী বংশধরদের লাভ
এই বর্তমান যুগে নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া খুবই কঠিন। কারণ নিষ্ঠাবান ও ন্যায়পরায়ণ মানুষেরা এই সমাজে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে পরিচিতি লাভ করে থাকে।
অসৎ, অনাচারী, দুর্নীতিপরায়ণ, মিথ্যাবাদী, ধোকাবাজ লোক সত্য আয়নার সম্মুখে দাঁড়াতে ভয় পেয়ে থাকে।
সমস্ত ধরনের খুন করা নিঃসন্দেহে খুবই নিন্দনীয়। কিন্তু ধর্মের নামে, বর্ণের নামে, গোত্রের নামে, সাম্প্রদায়ের নামে মানুষকে খুন করা সবচেয়ে ঘৃণিত।
ছলনা, শঠতা-ধূর্ততা, খপ্পর-জালিয়াৎ, অসৎ-অকর্ম, জুলুম, ঘৃনা-পরদ্বেষ, নিন্দা, প্রভৃতি সময় ও কালের সামাজিক অসুবিধার তরে শিক্ষিত ব্যক্তিগণই তো বিশেষ ভাবে দায়ী।
একজন অপরাধীর সকল সুকীর্তি তার দুষ্কর্মের ন্ধকারে ঢাকা পড়ে যায়।
আপাত দৃষ্টিতে দুর্নীতিবাজরাই কিন্তু দুর্নীতির দুর্নীতি বলে চিৎকার করে বেশি