#Quote
More Quotes
কলিযুগে মানুষজন স্বার্থবাদী, সহানুভূতি দেখানো তো দুরের কথা, বরং স্বার্থ ফুরালেই মানুষ মানুষকে আর চিনবে না।
দেশ ও সমাজের বুকে যারা ধার্মিক ও জ্ঞানী হিসেবে খ্যাতি পাবেন তাদের প্রকৃত মানসিকতা থাকবে শকুনের ন্যায়। উপরে ধর্ম ও জ্ঞানের বর্ম পরিহিত মানুষগুলি নিজেরাই হবে ভন্ড।
কলিযুগে মানুষের ভালোবাসা হবে স্বার্থ ও অর্থকেন্দ্রিক।
কলি যুগে কোনও মানুষের কাছে অর্থ না থাকলে, তাকে অপবিত্র হিসেবে গণ্য করা হবে। অন্যদিকে ভণ্ডামিকে গ্রহণ করা হবে সম্মানের সঙ্গে।
শ্রীকৃষ্ণের বাণী অনুযায়ী কলিযুগে মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা ও ইচ্ছা যত কম থাকবে, পৃথিবীতে তারা ততই সুখী থাকতে পারবে।
কলিযুগে হরিনামই পারে সকল পাপ খণ্ডন করতে। ঈশ্বরের স্মরণ নিলেই মানুষ সকল বিপদ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।
কলিযুগ নিঃসন্দেহে একটা ভয়ঙ্কর যুগ, যা শুরু হওয়ার থেকেই অন্ধকার ও ধ্বংসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
কৃষ্ণের লীলায় অনুপ্রাণিত হয়ে করেছে সবাই লীলা, দ্বাপর না হোক, কলির কেষ্ট এদের তো যায় বলা ।
গীতায় শ্রীকৃষ্ণ জানিয়েছেন, ব্যক্তির অনিয়ন্ত্রিত মন তাদের শত্রুতে পরিণত হয়। যার কারণে কোন পরিস্থিতিতেই মানুষ কখনও সফল হতে পারেন না।
কলিযুগে মানুষ যত পাপ করেছে তা গুনে শেষ করা যাবে না।