Md Asaduzzaman (lawyer)
Member of the Bangladesh Parliament
| Date of Birth | : | 31 January, 1971 (Age 55) |
| Place of Birth | : | Jhenaidah, Bangladesh |
| Profession | : | Lawyer |
| Nationality | : | Bangladeshi |
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (Md Asaduzzaman) একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দেন। তিনি বর্তমানে ঝিনাইদহ ১ আসনের সংসদ সদস্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে তিনি আইন মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
তিনি ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার অন্তর্গত বারইপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ মোঃ ইসরাইল হোসেন এবং মাতার নাম বেগম রোকেয়া। মোঃ আসাদুজ্জামানের শিক্ষা জীবন শুরু হয় নিজ জেলা ঝিনাইদহে। তিনি ১৯৮৭ সালে যশোর বোর্ড থেকে এস.এস.সি. এবং ১৯৮৯ সালে এইচ.এস.সি. সম্পন্ন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং কৃতিত্বের সঙ্গে এল.এল.বি. (সম্মান) ও এল.এল.এম. ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
রাজনৈতিক জীবন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ১৯৮৯-১৯৯৪ সালে জাসদ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে ১৯৯৪ সালে তিনি জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হন।
কর্মজীবন
১৯৯৫ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে তিনি আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
আইনজীবী হিসেবে তিনি কর্মজীবনের শুরুতে সুপ্রিমকোর্টের তৎকালীন আইনজীবী ও পরবর্তীতে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সঙ্গে কাজ করেছেন। ১৯৯৮ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের জুনিয়র হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিনের সাহচর্যে ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক প্রতিষ্ঠিত ল চেম্বারের একজন পার্টনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মো. আসাদুজ্জামানের কর্মজীবনের মধ্যে বিভিন্ন উচ্চ আদালতে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অংশগ্রহণ ও বিভিন্ন জটিল আইনি সমস্যার সমাধান অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর এই নিয়োগ বাংলাদেশের আইনি পরিসরে নতুন দিক নির্দেশনা আনতে পারে এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে আইনি সহায়তা প্রদান করতে সহায়ক হবে বলে সংবাদমাধ্যম সমূহে আশা প্রকাশ করা হয়।
Quotes
Total 0 Quotes
Quotes not found.